ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ চলাকালে ‘গুলিতে’ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর আহত হয়েছেন এমন তথ্যের সত্যতা মেলেনি। এর আগে দেশ রূপান্তরের কাছে নুর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ফরিদুল হক।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকা থেকে নুরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে মুক্তাঙ্গনের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর মিছিলটি মতিঝিলের শাপলা চত্বরের দিকে যায়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় নুর গুলিবিদ্ধ হন। আরো ১৫ জনের মতো আহত হন।
তবে তার বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। নুরুল হক নুর নিজেও ঘটনার পর ফেইসবুক লাইভে এসে জানিয়েছেন তিনি টিয়ারশেলে আহত হয়েছেন।
নুর ফেইসবুক লাইভে রাবার বুলেটে 'সাময়িক আহত' হয়েছেন বলেও জানান। তবে দুপুর দেড়টার দিকে নুরের একই ফেইসবুক পেজ থেকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানানো হয়, 'ভিপি নুর গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত।' এরপর খবরটি ছড়িয়ে পড়ে ফেইসবুকে। কিছুক্ষণ পর নুরকে ফেইসবুক লাইভে দেখে অনেকেই প্রশ্ন করেন।
বিক্ষোভ থেকে ৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল ডিভিশনের উপ-কমিশনার নুরুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সাত পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
আটকদের মধ্যে ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলামও রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুপুর ১২টার পর যুব অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা মতিঝিল এলাকার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে যান। এ সময় পুলিশ তাঁদের বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।
মতিঝিল বিভাগের ডিসি নুরুল ইসলাম জানান, বেলা একটার দিকে বিক্ষোভকারীদের মতিঝিল এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
