ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। পুনেতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে সেই ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে যেন বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল ভারত। থ্রিলার জয়ের মাধ্যমে ২-১-এ ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে তারা। দুই দলই তাদের সেরা দক্ষতা দেখিয়েছে। স্যাম কুরান শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও পারেননি। ৮৩ বলে ৯৫ করে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
পুনের সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে ভারত। ৪৮.২ ওভারে ৩২৯ রানে অল আউট হয় স্বাগতিকরা। জবাবে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ৩২২ রান করে ইংল্যান্ড। শেষ ওভারে জেতার জন্য তাদের দরকার ছিল ১৪ রান। টি নটরাজনের সেই ওভারের প্রথম বলেই ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন মার্ক উড (১৪)। রেচে টপলে নেমেই সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক দেন স্যাম কুরানকে। চার বলে তখন ইংল্যান্ডের দরকার ১২ রান। নটরাজনের তৃতীয় এবং চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নেওয়ার সুযোগ থাকলেও কুরান তা নেননি। পঞ্চম বলে বাউন্ডারি মেরে ব্যবধান কমিয়েছেন। ততক্ষণে ভারতের জয়ও নিশ্চিত হয়ে গেছে। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে বিরাট কোহলির দল। টেস্ট এবং টি-২০ সিরিজও জিতেছিল তারা। ইংল্যান্ডের হয়ে গতকাল ৫০ করেন মালান। ৪২ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৬৭ রানে ৪ উইকেট নেন শারদুল ঠাকুর। ৪৯তম ওভারে একটি সহজ ক্যাচ মিস করেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়ার সেই ওভারে দুটি সহজ ক্যাস মিস করে ভারত সিরিজ হাতছাড়া প্রায় করেই ফেলেছিল। শেষ পর্যন্ত নটরাজন রক্ষা করেছেন।
ভারতের উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা এবং শিখর ধাওয়ান। ১৪.৪ ওভারের ওপেনিং জুটিতে তারা ১০৩ রান তোলেন। ৩৭ বলে ৩৭ করে আউট হন রোহিত। এরপর ভারতের মিডল অর্ডারে ছোট্ট একটা ধস নামে। শিখর ধাওয়ান (৬৭) এবং বিরাট কোহলি (৭) আউট হন। লোকেশ রাহুলও (৭) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর হয় ৪ উইকেটে ১৫৭। উইকেট পতনের মাঝেই ঝড় তোলেন ঋষভ পান্ত (৭৮) এবং হার্দিক পান্ডিয়া (৬৪)। পঞ্চম উইকেটে তারা ৯৯ রান যোগ করেন। এই জুটির কারণেই ভারত বড় স্কোর গড়তে পেরেছে। টম কুরানের বদলে ইংল্যান্ড দলে খেলেন মার্ক উড। ভারতীয় দলে টি নটরাজন খেলেন কুলদীপ যাদবের বদলে।
