দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা কম কার্যকর: গবেষণা

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২১, ০১:২০ পিএম

দক্ষিণ আফ্রিকায় নভেল করোনাভাইরাসের নতুন যে ধরন শনাক্ত হয়েছে, সেটি প্রতিরোধে ফাইজার/বায়োএনটেকের টিকা কম কার্যকর বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের গবেষকেরা।

তেল আবিব ইউনিভার্সিটি ও ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ক্লালিৎ এই গবেষণা চালিয়েছে।

শনিবার প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ৪০০ জন কভিড রোগীকে নিয়ে এ গবেষণা চলে। এই রোগীরা করোনার টিকার প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ বা তারও বেশি দিন পর তাদের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গবেষকেরা পর্যালোচনা করেন। তাতে প্রাপ্ত ফলাফল আরও ৪০০ জন ব্যক্তির সঙ্গে মেলানো হয়। ওই ৪০০ ব্যক্তি করোনার টিকা নেননি।

গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনার নতুন ধরন কিছু ক্ষেত্রে ফাইজার/বায়োএনটেকের তৈরি করোনার টিকার প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পাশ কাটাতে পারে। তবে যেসব ব্যক্তির ওপর এই গবেষণা চালানো হয়, তাদের মাত্র ১ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনার ধরনে আক্রান্ত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনটির আনুষ্ঠানিক নাম হচ্ছে বি.১.৩৫১।

তবে যারা ভ্যাকসিনটির দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে আট গুণ বেশি দেখা গেছে।

গবেষকেরা টিকাটিকে অকার্যকর বলছেন না; তাদের দাবি কম কার্যকর।

করোনাভাইরাসের প্রথম যে স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে টিকাটি প্রায় শতভাগ কার্যকর বলে এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় জানানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত