সাবেক মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র জানান, সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আপিল বিভাগের ১ নং আদালতে বিষয়টি অবহিত করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে খসরুর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে সকালে বকশীবাজারে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
আজই তার মরদেহ কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হবে।
বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মতিন খসরু।।
মতিন খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শোক জানিয়েছেন।
মতিন খসরু ১৯৫০ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন।
১৯৭৮ সালে কুমিল্লা জজ কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন আব্দুল মতিন খসরু। পরে ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু করেন।
তিনি কুমিল্লা-৫ আসনে পাঁচবারের সংসদ সদস্য। ১৯৯৬-২০০১ আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মতিন খসরু।
গত ১৫ মার্চ মতিন খসরুর করোনা রিপোর্টের ফল পজিটিভ আসে। ওই দিন তাকে সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়। এরপর কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় ২৮ মার্চ তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়।
