করোনার সংক্রমণ রোধে সারা দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনে ফেরিতে জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়ি ব্যতীত অন্য যানবাহন ও যাত্রী পারাপার বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও দৌলতদিয়া দিয়ে পারাপার হচ্ছে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি ও যাত্রী।
ফেরিতে সিরিয়াল দিয়ে গাদাগাদি করে উঠতে ও নামতে দেখা গেছে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও যাত্রীদের। নেই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই।
পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি বড় ফেরি ‘ভাষা শহীদ বরকত’-এ অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে পার হচ্ছে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ মোটরসাইকেল। পার হচ্ছে সাধারণ যাত্রীরাও।
অপরদিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রোরো ফেরি ‘রজনিগন্ধা’রও একই অবস্থা। এই ফেরিতে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ মোটরসাইকেল এবং সাধারণ যাত্রীরা পার হচ্ছেন।
দেশের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের এমন চিত্র বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেখা যায়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) ফিরোজ শেখ দেশ রূপান্তরকে বলেন, বর্তমানে সীমিত সংখ্যক ফেরি দিয়ে জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্স ও পাস নিয়ে আসা ছোট গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য ব্যক্তিগত গাড়ি এসে পারের জন্য সিরিয়ালে থাকছে।
তিনি বলেন, এসব পারাপার নিয়ন্ত্রণে লোকবল প্রয়োজন, কিন্তু লোকবল কম। ফেরির ছাড়ার সময় যাত্রীরাও উঠে যাচ্ছে। তখন কীভাবে কী করা যায়? এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন।
জরুরি সেবা দিতে তিনটি ফেরি দৌলতদিয়া ঘাটে রাখা হয়েছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের এই কর্মকর্তা।
