বাড়িওয়ালাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে তার স্ত্রী হোসনে আরাকে (৫০) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে।
শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের ঝাউচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার পর ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ওই ভাড়াটিয়া।
নিহত হোসনে আরা ঝাউচর গ্রামের বাড়িওয়ালা আজিমউদ্দিনের স্ত্রী। রবিবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিহত হোসনে আরার ছেলে আল আমিন বলেন, রংপুর এলাকার হারুন অর রশিদ ও তার স্ত্রী সুলতানা স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করেন। গত পাঁচ মাস আগে আমাদের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে আসেন।
ভাড়াটিয়া হারুন অর রশিদের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। বিশ্বস্ত হওয়ায় আমাদের বাসায় হারুন ও তার স্ত্রী নিয়মিত যাতায়াত করত। আমার মা কোথায় টাকা ও স্বর্ণালংকার রাখতো সবকিছুই জানতো ভাড়াটিয়ার স্ত্রী সুলতানা।
সেই সুযোগে শনিবার রাতে ভাড়াটিয়া হারুন অর রশিদ আমার বাবা ও মায়ের সঙ্গে গল্প করার একপর্যায়ে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে আমার মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরে থাকা তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাড়িওয়ালার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ভাড়াটিয়া পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
