‘শান্তি মিশনে অবদানের জন্য বাংলাদেশ একদিন নোবেল পাবে’

আপডেট : ২৯ মে ২০২১, ০৭:১০ পিএম

সংঘাতময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি স্থাপন করতে গিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের ১৫১ জন প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে কোয়ালিশন অব লোকাল এনজিওস, বাংলাদেশ (সিএলএনবি) এর চেয়ারম্যান হারুনূর রশিদ এ তথ্য জানান।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্বের সংঘাতময় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিসেনাদের আত্মত্যাগ বিশ্বে সর্বজনস্বীকৃত। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন। এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন।

হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের শান্তি রক্ষা মিশন দ্যাগ হেমারসোল্ড জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে। আমরা আশা করি, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানের জন্য বাংলাদেশ একদিন নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম বীর প্রতীক বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শক্তিশালীর নেতৃত্বের কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে।

শান্তি সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ভালুকা উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কবি সেলিনা রশিদ, বন্দর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালিমা হোসেন শান্তা, চিরিরবন্দর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা বানু প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত