আগামী ১৩ জুন সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে সংগঠনটি এ দাবি জানায়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মিজানুর রহমান সরকার বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো শিক্ষাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ও সময়োপযোগী ভূমিকা পালন করে চলেছে এবং কিছুটা হলেও বেকার সমস্যা দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে। চল্লিশ হাজার স্কুলে ১ কোটি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। যদি স্কুলগুলো না থাকত তাহলে শতভাগ শিক্ষা কর্মসূচি ও টেকসই উন্নয়ন বা এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য আরও অন্তত ৩০ হাজার স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হতো। তার জন্য প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা ব্যয় হতো। এ সব কিন্ডারগার্টেনের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের বিরাট চাপ কমে গেছে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো কখনই কোনো সরকারি অনুদান পায়নি এবং পাওয়ার জন্য আবেদনও করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পুরো দেশের মতো আমরাও দিশেহারা। এজন্য দেশের অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর অবস্থাও শোচনীয়। আমরা যথাযথ কর্র্তৃপক্ষকে আগেই সতর্ক করেছিলাম, যদি সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দেয় তাহলে ৭৫ শতাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে।
