‘টাকায় মেলে সনদ’

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

আপডেট : ১৪ জুন ২০২১, ১১:৩৫ পিএম

গত ১১ জুন দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত ‘টাকায় মেলে সনদ’ প্রতিবেদনের প্রতিবাদ পাঠিয়েছে স্টিমজ হেলথ কেয়ার লিমিটেড। গত ১৩ জুন স্টিমজ হেলথ কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সরওয়ার জাহান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রতিবাদে বলা হয়, মো. আরিফুজ্জামান স্টিমজ হেলথ কেয়ার লিমিটেডের কাছে গত ৮ জুন বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের পাসপোর্টের কপি জমা দেন। তিনি নিজেকে বিদেশগামী যাত্রী হিসেবে স্বীকারোক্তি দেন। স্টিমজ হেলথ কেয়ার তার পাসপোর্টের কপি নিয়ে সরকার কর্র্তৃক নির্ধারিত ফি ২৫০০ টাকা নগদ করে। তাকে একটি কম্পিউটার জেনারেটেড ইনভয়েস প্রদান করে।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, টাকা দেওয়ার রসিদ ও পাসপোর্ট দেওয়ার পর স্টিমজ হেলথ কেয়ার এই প্রতিবেদক মো. আরিফুজ্জামানের নমুনা সংগ্রহ করে। উক্ত নমুনা স্টিমজ হেলথ কেয়ারের ল্যাবে পরীক্ষা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্টিমজ হেলথ কেয়ারের আরটি-পিসিআর রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এ থেকে প্রমাণ হয় যে, পরীক্ষাটি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রতিবেদক প্রতিবেদনে বিকাশের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে যার কোনো ভিত্তি নেই।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

গত ৮ ও ৯ জুন এ প্রতিবেদক ঢাকায় ছিলেন না। এ সংক্রান্ত সকল তথ্য-প্রমাণ আছে। ঢাকার বাইরে যে হোটেলে ছিলেন সেখানকার ও সে জেলার যে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তার প্রমাণ এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। এই প্রতিবেদক কখনো স্টিমজ হেলথ কেয়ার নামের প্রতিষ্ঠানে যাননি, ফলে সশরীরে নমুনা দেওয়ার কথা ঠিক নয়।

এই প্রতিবেদক হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাসপোর্টের দুই পাতার ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি দিয়েছেন একজন মধ্যস্বত্বভোগীর (দালাল) কাছে তার সকল প্রমাণ সংরক্ষণ করা আছে। বিকাশের মাধ্যমে ওই মধ্যস্বত্বভোগীকে করোনার নেগেটিভ সনদ কেনার অর্থ দিয়েছেন তারও প্রমাণ রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব তথ্য নির্ভুল।

প্রসঙ্গত, সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১০ জুন ভুয়া করোনা সনদ দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর চারটি বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্রের পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ রেখেছে। এর মধ্যে স্টিমজ হেলথ কেয়ার একটি ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত