করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঈদুল ফিতরের পর থেকে দেশজুড়েই বাড়ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ছিল হু হু করে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে এলাকাভিত্তিক ‘লকডাউনের’ পাশাপাশি কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর ওইসব এলাকায় সংক্রমণ হারে কিছুটা নিম্নগতি দেখা দিলেও হাসপাতালে রোগী ভর্তি ও মৃত্যুহারের উল্লম্ফন অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানী ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত হারে বাড়তে থাকায় অনেক হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দাতে রেখে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রোগীর তুলনায় প্রয়োজনীয় জনবল কম থাকায় সেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার খুলনার ১০০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৫৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। অন্যদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি মাসে করোনা রোগী ভর্তি ও মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড হয়েছে। করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় এ হাসপাতালে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৯৮ জন। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় গতকাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩২৫ জন করোনা রোগী ভর্তি ছিলেন। বিস্তারিত দেশ রূপান্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার প্রতিনিধি ও নিজস্ব প্রতিবেদকদের পাঠানো খবরে :
খুলনায় করোনা রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। ধারণক্ষমতার বেশি রোগী চিকিৎসাধীন করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে। ১০০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা হাসপাতালে ১৫৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালের ফ্লোরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় দুজনের এবং উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়। ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৬৬ জন। খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন ও খুমেক হাসপাতালের আরএমও সুহাস রঞ্জন হালদার এসব তথ্য দিয়েছেন। এদিকে খুলনা বিভাগে করোনায় সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন করে ৮০০ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গতকাল দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য দিয়েছেন।
সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালের ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যেহেতু এখানে ১০০ বেড রয়েছে, তাই অতিরিক্ত ভর্তি হওয়া রোগীদের ফ্লোরে রেখে সেবা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫১ জন রোগী ভর্তি ছিল। তা বেড়ে এখন ১৫৪ জন হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগী ১২৪ এবং বাকি ৩০ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালের আইসিইউতে ২০ ও এইচডিইউতে ২০ রোগী চিকিৎসাধীন।
ডেডিকেটেড হাসপাতালের তথ্যমতে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৩ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৪ জন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ছয়জন। এর মধ্যে করোনায় দুই এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল কর্মকর্তা (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা বলেন, খুলনা জেলা ও মহানগরীতে নতুন করে ১৬৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময় ৫৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। খুলনায় মোট নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩০ শতাংশ।
রামেকের করোনা ইউনিটে আরও ১২ মৃত্যু : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকাল থেকে গতকাল সকালের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে আটজন করোনা পজিটিভ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনা উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন করোনা নেগেটিভ অবস্থায়। তিনি করোনা ইউনিটেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
করোনা শনাক্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে, দুজনের রাজশাহী, একজনের বাড়ি নওগাঁয়। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন রাজশাহীর, একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং একজন নাটোরের।
১ থেকে ১৫ জুন সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেলেন ১৪৮ জন। এর মধ্যে ৮৮ জন মারা গেছেন করোনা শনাক্ত হওয়ার পর। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।
করোনা ইউনিটে মারা যাওয়া ১২ জনের মধ্যে পুরুষ আট আর নারী চারজন। পুরুষদের মধ্যে ৬১ বছরের ঊর্ধ্বে বয়সী মারা গেছেন ছয়জন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে রয়েছেন দুজন। মৃত নারীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে রয়েছেন একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে দুজন এবং ৬১ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে রয়েছেন একজন।
রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গতকাল সকালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৩২৫ জন। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১৫৮ জন। আর করোনা সন্দেহে চিকিৎসা চলছে ১৩৬ জনের। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ১৯ জন। গত সোমবার রাজশাহীতে আরও ৩১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
জামালপুরে আক্রান্ত ২৩ : জামালপুরে বেড়েই চলছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শহরের গেইটপার এলাকার ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জামালপুরে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৭ জনে। এদিকে একই সময়ে ১০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে আরও ২৩ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২১.৬৯ শতাংশ। নতুন করে আক্রান্ত ২৩ জনের মধ্যে ১৬ জনই জামালপুর সদরের বাসিন্দা।
করোনা প্রতিরোধে ১৪ জুন সোমবার থেকে জামালপুর পৌর এলাকায় ‘লকডাউন’ চলছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালালেও এখনো বিধিনিষেধ মানছে না অনেক মানুষ। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই শহরে চলাচল করছে অনেকেই।
ঝুঁকিতে থাকা মোংলায় সংক্রমণ হার কমেছে ৩৩ শতাংশ : বাগেরহাটে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৫৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ১৩৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জন শনাক্ত হন। জেলায় সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত)। সংক্রমণের হার ৩৯ শতাংশ। যা আগের দিনের তুলনায় ৫ শতাংশ কম। জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলাতে ২৩টি নমুনা পরীক্ষায় সাতজনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। সেখানে সংক্রমণের হার ২২ শতাংশ। যা আগের দিনের তুলনায় ৩৩ শতাংশ কম।
ফরিদপুরে দুই সপ্তাহে ১৬ জনের মৃত্যু : মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ফরিদপুর জেলায় গত দুই সপ্তাহে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনা পজিটিভ হয়েছে সাত শতাধিক মানুষ। তারপরও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না সাধারণ মানুষ।
জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এক নারী, এছাড়াও এ সময়ে নতুন করে আরও শনাক্ত হয়েছে ৯১ জন।
বৃহত্তর ফরিদপুরের মধ্যে শুধু আইসিইউর ব্যবস্থা রয়েছে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ প্রতিষ্ঠানে ১৬ শয্যার মধ্যে বর্তমানে সচল ১৪টি। প্রতিদিনই আসছে রোগী, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা না থাকায় ভর্তি নিতে পারছে না কর্র্তৃপক্ষ। হাসপাতালের আইসিইউর প্রধান ডা. অনন্ত বিশ্বাস বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি গত দুই সপ্তাহ ধরে অবনতির দিকে। রোগীর চাপ বাড়ছে অনেক। কিছুদিন আগেও ওয়ার্ডে রোগী ছিল তিন-চারজন, এখন সেখানে সিট ফাঁকা নেই।’
টাঙ্গাইল উচ্চঝুঁকিতে : টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গাণিতিক হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলকে ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী শনিবার থেকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় সর্বাত্মক ‘লকডাউনের’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
কিশোরগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী : কিশোরগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগী। জেলার করোনা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত সোমবার রাতে প্রকাশিত রিপোর্টে ৩৪ জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু হয়েছে। কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এসব তথ্য গতকাল দুপুরে নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান।
নাটোর ও সিংড়া পৌর এলাকায় ‘লকডাউনের’ সময় বাড়ল : নাটোর সদর ও সিংড়া পৌরসভা এলাকায় ‘লকডাউন’ আরও সাত দিন বৃদ্ধি করেছে জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটি। গতকাল বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে নাটোর জেলায় চারজন মৃত্যুবরণ করেছেন এবং ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬১ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন।
যশোরে রেকর্ড আক্রান্তের দিনে আরও কঠোর বিধিনিষেধ : যশোরে করোনায় রেকর্ডসংখ্যক আক্রান্তের দিনে আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। গত ১০ জুন আরোপিত সপ্তাহব্যাপী ‘লকডাউন’ আদলের বিধিনিষেধ আজ বুধবার রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। এদিন আরও সাত দিন বিধিনিষেধ ১৬ জুন রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২৩ জুন রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত বাড়িয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি। নতুন আরোপিত বিধিনিষেধের বাড়ানো হয়েছে এলাকা। আগের বিধিনিষেধে ছিল যশোর সদর পৌরসভা ও অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভা। ওই দুই পৌর এলাকার সঙ্গে নতুন আরোপিত বিধিনিষেধে আরও দুটি পৌরসভা ও চারটি ইউনিয়ন যোগ হয়েছে। আরও দুটি পৌরসভা হচ্ছে ঝিকরগাছা উপজেলার ঝিকরগাছা পৌরসভা ও ভারত সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভা। চার ইউনিয়নের মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার চাঁচড়া, উপশহর, আরবপুর ও নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ও শার্শা উপজেলার শার্শা ইউনিয়ন। এছাড়া যশোর জেলা অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাসসহ যাত্রী বহনকারী সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। গতকাল বিকেলে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।
করোনায় যশোরে রেকর্ডসংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে গতকাল। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় এ জেলায় নতুন করে ২৪৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ জন ভারতফেরত। এটি জেলায় এক দিনের সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। এছাড়া মারা গেছেন তিনজন। উচ্চঝুঁকির কারণে যশোরের দুটি পৌরসভায় ‘লকডাউন’ চললেও তা মানছে না সাধারণ মানুষ। তবে প্রশাসন বলছে, আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
