আফগানিস্তানের শান্তির প্রশ্নে একসঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে দেশে ঘাঁটি গড়তে দেবেন না— প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টে এক নিবন্ধে এ কথা লেখেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের জিঘাংসার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে, তখন এমন মন্তব্য করলেন ইমরান খান।
তিনি লেখেন, সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নে অতীতে আফগানিস্তানে লড়াইরত প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিয়ে পাকিস্তান ভুল করেছে।
তিনি বলছেন, এখন যে দলই আফগান জনগণের আস্থাভাজন হবে, পাকিস্তান তার সঙ্গেই কাজ করে যাবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার দেশের স্বার্থ এখন একই। তা হলো, আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসবাদের অবসান।
এ দিকে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন হোয়াইট হাউসে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এবং জাতীয় সমঝোতার ব্যাপারে গঠিত বিশেষ কমিটির প্রধান ড. আব্দুল্লাহ আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেন, ২০ বছরের সামরিক সংশ্লিষ্টতার পর আমেরিকান সৈন্যরা ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আফগানিস্তান ত্যাগ করবে। এরপর একই ঘোষণা দেয় ন্যাটো বাহিনী।
ঘোষণা অনুযায়ী, ১ মে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে। সে দিন থেকে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে আফগানিস্তানে, নিহত ও আহত হয়েছে অসংখ্য বেসামরিক মানুষ।
সেনা প্রত্যাহার পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে সন্ত্রাসী বিরোধী তৎপরতা চালানোর জন্য পাকিস্তানে ঘাঁটি স্থাপন নিয়ে সম্প্রতি তৎপরতা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু প্রস্তাবটি শুরুতেই নাকচ করে দেয় ইসলামাবাদ।
