বলিউডে সমান পরিশ্রম করা সত্ত্বেও নায়িকাদের তুলনায় নায়কেরা বেশি টাকা পান। অভিযোগটি অনেক দিনের। এ নিয়ে কঙ্গনা রনৌত থেকে শুরু করে তাপসী পান্নু-সহ অনেকেই হয়েছেন।
তবে অনেক জনপ্রিয় নায়কদের মুখে শোনা গেছে একদম উল্টো কথা। এই যেমন অভিষেক বচ্চন।
কয়েক বছর আগে এক অনুষ্ঠানে সুজিত সরকারকে এই প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন অভিষেক। স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে তিনি ৯টি ছবিতে কাজ করেন। এর মধ্যে ৮টি ছবিতেই অভিষেকের তুলনায় ঐশ্বরিয়ার চেকের অংকটি বেশ বড়ই ছিল।
এই কথার জের টেনে অভিষেক আরও বলেন, “পিকু’ ছবিতে দীপিকার সঙ্গে কাজ করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও ইরফান খান। কিন্তু সবচেয়ে বেশি টাকা পেয়েছিলেন দীপিকাই!”
যুক্তি হিসেবে জুনিয়র বচ্চন বলেছিলেন, দিনের শেষে ছবির ব্যবসায় যে বেশি ‘বিক্রয়যোগ্য’ তার ‘মূল্য’ তত বেশি। অর্থাৎ বক্স অফিসে যার কাটতি যত বেশি তার পারিশ্রমিকও স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের তুলনায় তত বেশি। তাই একজন নতুন অভিনেত্রী হিসেবে কেউ কিছুতেই শাহরুখ খানের মতো সমান পারিশ্রমিক দাবি করতে পারেন না!
ধাই অক্ষর প্রেম কে, গুরু, রাবণ, ধুম টু, সরকার রাজ, উমরাও জান, বান্টি আউর বাবলি, কুচ না কাহোর মতো আলোচিত ছবিতে পর্দা ভাগাভাগি করেছিলেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। করোনা মহামারির আগে একাধিকবার এ জুটির পর্দায় ফেরার কথা শোনা গেলেও তা বাস্তব রূপ লাভ করেনি।
