বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে শুরু করেছেন। সরকার নির্ধারিত সুরক্ষা ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে নিজ নিজ এলাকায় কোভিড-১৯ টিকা নিচ্ছেন তারা।
বুধবার দুপুর ১২টায় নিজ এলাকা বগুড়ায় চীনের সিনোফার্ম টিকা নেন বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ। এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচী।
তবে অনেক আবাসিক শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন না বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সুব্রত কুমার দাস জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (MIS) পরিচালক ও ডাটা এন্ট্রির কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ডাটা এমআইএস ডাটাবেজে এন্ট্রি করা হয়েছে বিধায় তারা টিকা গ্রহণ করতে পারছেন। বর্তমানে প্রবাসীদের ডাটা এন্ট্রির কাজ চলছে বিধায় এ সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রির কাজ করার সুযোগ নেই। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি বা শেষ সময়ের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরাও টিকা গ্রহণের আবেদন করতে পারবেন। অধিদপ্তর এর আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি করবেন। যাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হচ্ছে না তারা ১৫ জুলাই থেকে আবার আবেদন করতে পারবেন।
কোভিড-১৯ টিকা গ্রহনকারী বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক ছাত্র লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ জানান, সুরক্ষা ওয়েবসাইটে গত ৫ জুলাই সিনোফার্ম টিকার জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করি। ৬ জুলাই রাতে ফোনে ফিরতি ম্যাসেজ আসে এবং টিকা গ্রহণের তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করা হয় ৭ জুলাই, বগুড়ার
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী সদর হাসপাতাল । তিনি বলেন, আমার টিকা নিবন্ধন ও গ্রহণে মোটেও বেগ পেতে হয়নি। কোভিড-১৯ টিকার নিবন্ধন ও টিকা গ্রহণ পদ্ধতি খুবই ফলপ্রসূ ছিল।
