সরকার ঘষিত কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তাম দিন বুধবার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সকাল থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা ও মানুষের চলাচল লক্ষ করা গেছে।
সরেজমিনে বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়ায় আসা ফেরিতে কিছু পণ্যবাহী ট্রাক, কাভারভ্যান ও ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে যাত্রীও পারাপার হচ্ছে। যারা পারাপার হচ্ছেন তাদের বেশিরভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, নির্মাণ শ্রমিক ও গরু ব্যবসায়ী।
এ সময় কথা হয় নির্মাণ শ্রমিক হালিম মোল্লার সঙ্গে তিনি জানান, আশুলিয়ার বাসস্ট্যান্ডে কাছে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনে কাজ করছিলেন। কাজ শেষ হয়েছে বলে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
অপরদিকে ঢাকাগামী সিএনজি চালক সাইদুর জানান, কঠোর লকডাউনের কথাশুনে গত সপ্তাহে বাড়ি এসেছিলাম। কিন্তু ঢাকায় টুকটাক গাড়ি চলাচল করায় ফিরে যাচ্ছি। বাড়ি বসে থাকলে তো আর পেট চলবে না।
ঘাটে টহলরত ট্রাফিক পুলিশ জানান, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার ও মটরসাইকেলে করে অনেকে ঘাটে আসছেন। যৌক্তিক কারণ ছাড়া কাউকে ছাড়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের ( বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ম্যানেজার মো. শিহাবুদ্দিন বলেন, জরুরি সেবার আওতায় ছোট-বড় আটটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। তবে যানবাহনের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে। ফেরি চলাচল করায় কিছু যাত্রী যাতায়াত করছে।
