চার হাজার মানুষকে জেলে দেওয়া হয়েছে, এরা কারা?

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২১, ০৪:০৬ পিএম

করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে বিএনপির পাঁচ প্রস্তাবের অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করে বলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার দুপুরে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘কোনটা কোনটা বাস্তবায়ন করেছে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে তারা বলুক। আর চর্বিত চর্বণতো প্রতিদিন তারাই করছেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা কিন্তু প্রত্যেক দিন নতুন নতুন ইস্যুতে আসছি। তাদের সমস্যা হলো, তারা কোনো সমালোচনা শুনতে চান না। আমরা শুধুমাত্র সমালোচনা করি না, প্রস্তাবও দিই। কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যাবে সেই প্রস্তাবটিই আমরা তুলে ধরেছি।

‘তাদের যে একলা চলো নীতি, দুর্নীতি-লুটপাটনীতি- এটাই এ দেশ ও জাতিকে আজকে চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে’ যোগ করেন তিনি।

ওয়ার্ড পর্যায়ে করোনা প্রতিরোধ কমিটি গঠনের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওয়ার্ড কমিটিতে আবার দুর্নীতি শুরু হবে। ওখানেও টাকা-পয়সা ভাগ করে নেবে, আর কী!’

তিনি বলেন, ‘আমরা ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি করতে বলি না। আমরা বলি, সরকারের যে হাসপাতালগুলো আছে, সেগুলো ইকুইপড করুক, বেড সংখ্যা বাড়াক, ডাক্তার বাড়াক। ওষুধ সরবরাহ করুক, অক্সিজেন সরবরাহ করুক, আইসিইউ বেড রাখুক- তাহলেতো সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।’

করোনা মোকাবিলায় কারফিউ জারি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কারফিউ জারি কোনো সমাধান নয়। এ লকডাউনেও যদি সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারে, খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারে তাহলেও অপরিকল্পিত লকডাউনও সঠিক সমাধান আনতে পারবে না।

তিনি বলেন, শুধু গরিব মানুষকে ধরে ধরে জেলে পুরে দিলেই হবে না। পত্রিকায় দেখলাম সাড়ে চার হাজার মানুষকে জেলে দেওয়া হয়েছে। এরা কারা? এরা সাধারণ গরিব মানুষ। তারা দিন আনে দিন খায়। রিকশা-ঠেলাগাড়ি চালায়, কোনো রেস্টুরেন্টে চাকরি করে তারা।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এমনও কথা বেরিয়েছে যে, বাবার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার আনতে গেছে, তাকে আটকে রেখেছে। বাবা অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছে। এটা কোনো সমাধান নয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত