ওয়ানডে সিরিজের আগে হারারেতে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচটা মনের মতোই কেটেছে বাংলাদেশ দলের। তবে অস্বস্তি- মোস্তাফিজুর রহমানের মাত্র ৫ বল করেই মাঠ ছেড়ে যাওয়া। অ্যাঙ্কেলে অস্বস্তি নিয়ে উঠে যান ফিজ।
বুধবার তাকাসিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ে নির্বাচিত একাদশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় বাংলাদেশ।
নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৬ রান তোলে বাংলাদেশ। অধিনায়ক তামিম ইকবাল সর্বোচ্চ ৬২ বলে ৬৬ রান করেন। জবাবে জিম্বাবুয়ে ৪০.১ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৯ রান তোলার পর আলোকস্বল্পতায় আর খেলা হয়নি আর।
ডি/এল পদ্ধতিতে বাংলাদেশই জয় পায়। তবে ম্যাচের ফল ঘোষণা হয়নি। এদিন ব্যাটিং করলেও বোলিং করেননি সাকিব আল হাসান। খেলেননি তাসকিন আহমেদ।
চোটের কারণে টেস্ট সিরিজে খেলেননি তামিম। তবে ওয়ানডে সিরিজটি আইসিসি সুপার লিগের অংশ। তাই চোট নিয়েও এই সিরিজে খেলবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। এদিন তার রান পাওয়া তাই বড় স্বস্তি।
মোহাম্মদ নাঈমকে নিয়ে ইনিংস শুরু করেন তামিম। দুজন উদ্বোধনী জুটিতে ১৭ ওভারে যোগ করেন ৮৭ রান। তামিম জিম্বাবুইয়ান বোলারদের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন। ২২তম ওভারে তানাকা চিভাঙ্গা ফেরান তাকে।
তিন নম্বরে খেলতে নামা সাকিব ৬০ বলে ৩৭ রান করেন। মোহাম্মদ মিঠুন ৪২ বলে ৩৯ ও মোসাদ্দেক হোসেন ৩০ বলে ৩৬ রান করে স্বেচ্ছায় ব্যাট ছেড়ে যান।
এ ছাড়া আফিফ হোসেন ২৩ বলে ২৮, নুরুল হাসান সোহান ১২ বলে ১৮ রান করেন। সাইফউদ্দিন ১০ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ব্যাটে রান পাওয়ার পর মোসাদ্দেক বল হাতে ১৬ রানে ২ উইকেট নেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ইবাদত হোসেনেরও প্রাপ্তি ২টি করে উইকেট। ইবাদত অবশ্য ওয়ানডে সিরিজের দলে নেই। টেস্ট সিরিজ শেষে দলের সঙ্গে রয়ে গেছেন। উইকেট না পেলেও ভালো বোলিং করেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
জিম্বাবুয়ের হয়ে সাত নম্বরে নেমে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন টিমাইসেন মারুমা। ৩১ বলে ১৬ রান করে অষ্টম উইকেটে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন মুতুম্বামি। এছাড়া ডিয়ন মেয়ার্স করেছেন ২৯ বলে ৪২ রান।
