যুক্তরাজ্য থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে করোনার সব ধরনের বিধিনিষেধ। এখন থেকে কতজন মানুষ একসঙ্গে দেখা করতে পারবেন বা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন সে ব্যাপারেও থাকছে না কোনো নিয়মকানুন। পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে নাইটক্লাবগুলো, মদের দোকান কিংবা রেস্টুরেন্টেও এখন আর টেবিল সার্ভিসের প্রয়োজন হবে না। তারপরও দেশের সব নাগরিককে এ ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
কিছু জায়গায় মাস্ক পরতে বলা হয়েছে, তবে তা আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নয়। এদিকে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং চ্যান্সেলর আইসোলেশনে আছেন। করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দেশটিতে ৬৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ফলে করোনায় আগের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি, তীব্র অসুস্থতা এবং মৃত্যুহার কমে গেছে।
গত রবিবার টুইটারে একটি ভিডিও পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসার এটাই সঠিক সময়। তিনি বলেন, এখন যদি আমরা এ সিদ্ধান্ত না নিতে পারি তাহলে আমাদের নিজেদের কাছে প্রশ্ন করতে হবে, কখনো কী আমরা লকডাউন তুলে নিতে পারব? করোনাভাইরাস শীত ও শরৎকালে আবার বৃদ্ধি পেতে পারে।
