সারা দেশে করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধ বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে।
আজ দ্বিতীয় দিনে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ঢাকামুখী অনেক যাত্রীকেই নদী পার করতে দেখা যায়। অনেকেই মোটরসাইকেল করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
সরেজমিন শনিবার দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় দেখা যায়, কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে মোটরসাইকেল নিয়ে ও গ্রামের ভেতরের সড়ক ব্যবহার করে অনেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌঁছাচ্ছেন।
এ সময় খানজাহান আলী নামের একটি রো রো ফেরিতে দেখা যায় পণ্যবাহী ট্রাকের সাথে শতাধিক মোটরসাইকেল।
মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা শিবলী জামান।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঈদের দিন সকালে ঢাকা থেকে বাড়ি যাই, ঈদের আগে ভিড় হয় তাই এমনটা করা, অফিস থেকে ছুটিও ওইভাবেই নেয়া। আজ ছুটি শেষ তাই ঢাকায় যাচ্ছি। তাকে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ঢাকায় যাওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে এর উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। এমন অবস্থা প্রায় সকল ঢাকামুখী মানুষেরই।
মোহাম্মদ রিফাত নামের এক যাত্রী বলেন, ছোট ভাইকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাচ্ছি ঢাকাতে। মাসখানেক আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার পা ও কোমরে সমস্যা হয় তাই তাকে মাসে একবার করে ঢাকায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, আমাদের নির্দেশনা আছে পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি সেবায় নিয়জিত গাড়ি পারাপার করার। তবে যারা ঘাটে ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেল করে আসছেন তারা অনুমতি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। কোনো গাড়ি ঘাটে এলে সে গাড়ি গুলো আমরা পার করে দিচ্ছি। প্রশাসনের বিভিন্ন চেকপোস্ট আছে সে সব চেকপোস্টে প্রয়োজনীয় কাগজ না দেখাতে পারলে সেসব গাড়ি ফিরিয়ে দিচ্ছে।
