টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের আলীপুর এলাকায় যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।
ভাঙনে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসাও হাট বিলীন হয়ে যায়। এতে হুমকির মুখে শত শত ঘরবাড়ি ও বসতভিটা। এসব তথ্য দেন গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী তালুকদার ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ৩ নম্বর বেলটিয়া বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ঘর, আলীপুর মাদ্রাসার তিনটা ঘর, আলীপুর জামে মসজিদ ও হাটের জায়গা বিলীন হয়ে গেছে। আশপাশের কয়েক শ বাড়িঘর ও বসতভিটা হুমকির মুখে রয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, চোখের সামনে মুহূর্তের মধ্যে সব বিলীন হয়ে গেছে। মাদ্রাসা ও মসজিদের সব আসবাব সরানোর মতো সময় পাইনি। ভাঙন রোধে এ এলাকায় একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয় রমজান আলী বলেন, ‘এ পর্যন্ত তিনবার ঘরবাড়ি সরাইছি। তারপরও হুমকির মুখে রয়েছি। কখন বুঝি আবার বর্তমান বাড়িটি যমুনা গিলে খায়’।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী তালুকদার বলেন, নদী ভাঙনের দৃশ্য দেখতে আর ভালো লাগে না। এক রাতে যমুনা নদী কেড়ে নিল আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কয়েকজনের বসত-বাড়ি । যে প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন আগেও ছেলেমেয়েরা মাঠে দৌড়াদৌড়ি করছে আজ সেটা শুধু স্মৃতি। আমাদের জন্য স্মৃতি হিসাবে রাক্ষসী যমুনা নদী রেখে গেছে কয়েকটি বেঞ্চ।
এ বিষয় টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক পাওয়া গেলে দ্রুত সময়েই ভাঙন রোধে কাজ ধরা হবে। জিও ব্যাগ ফেলে ওই এলাকার ভাঙন রোধ করা হবে।
