টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের শুনসী গ্রামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই নারী গত ৫ আগস্ট নাগরপুর থানায় মামলা করেন। এদিকে অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেওয়ার পর প্রাণভয়ে ওই নারী বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, শুনসী গ্রামের ওই গৃহবধূকে প্রতিবেশী হাকিম (৪০) প্রায়ই অশ্লীল প্রস্তাব দিত। এতে রাজি না হওয়ায় গত ৫ মে রাতে গৃহবধূর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে ও তার দুই সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় হাকিম। ধর্ষণের ঘটনার পর ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি হাকিম জানতে পেরে ১৬ জুুলাই সকালে গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে জোরপূর্বক ওষুধ দিয়ে গর্ভপাতে বাধ্য করে। গর্ভপাতের ফলে ওই গৃৃহবধূ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে সুুস্থ হয়ে নাগরপুুর থানায় তিনি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ অভিযোগ করেন, মামলা করার পর থেকে অভিযুক্ত হাকিমের পরিবারের অব্যাহত হুমকিতে তিনি তার দুই সন্তানকে নিয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হাকিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। জানতে চাইলে নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্ত হাকিম পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
