ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এবং তুহিন সিদ্দিকী অমির বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলায় অভিযোগপত্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।
বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলাটির অভিযোগপত্র গত ২৭ জুলাই মহানগর হাকিম আদালতের ডেসপ্যাচ শাখায় জমা হয়।
তবে তাদের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারীকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
চিত্রনায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা মামলার অন্যতম আসামি নাসির ও অমি।
আদালত পুলিশের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট মামলাটির ধার্য তারিখ ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে নিয়মিত আদালত না থাকায় চার্জশিট আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।’
গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান রহমান জানান, নাসির এবং অমির কাছ থেকেই মাদক পাওয়া গেছে। তাই অভিযোগপত্র থেকে তাদের বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
গত ১৩ জুন রাতে ফেইসবুক পোস্টে পরীমণি অভিযোগ করেন, ৯ জুন উত্তরার বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালান ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় তিনি সাভার থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
মামলার পর ১৪ জুন রাতে উত্তরায় তুহিন সিদ্দিকী অমির বাসায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে নাসির ও অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় অমির বাসায় তল্লাশি চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবা, বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।
এরপর ১৪ জুন রাত ১২টা ৫ মিনিটে ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপপরিদর্শক মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় নাসির, অমিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করেন। নাসির বর্তমানে জামিনে আছেন।
