আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে তার আগে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নেয়ার তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী।
গোলাম রব্বানী বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসেনি। আমরা ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানাব।
তিনি বলেন, টিকা কার্যক্রম দেখার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে। এসব বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষে তারা হল ত্যাগ করবে। এরপর মধ্য নভেম্বর থেকে অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে।
প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির বলেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ভ্যাকসিনেটেড হয়েছে কিনা এ তথ্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানাবে। এরপরে সিদ্ধান্ত হবে যারা পরীক্ষার্থী আছে, মাস্টার্স বা শেষ বর্ষের এদের হলে রেখে পরীক্ষা নিয়ে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বর্ষরে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে। এটি নির্ভর করবে সংক্রমণের হারের ওপর।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে গত বছরের ২০ মার্চ আবাসিক হলগুলো খালি করে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ এরপর গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষাগুলো আটকে আছে।
