একজন উদ্যোক্তা অনেক মানুষের কর্মসংস্থান করতে পারে: চেয়ারম্যান, ম্যাক্স গ্রুপ

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২১, ০৪:১৯ পিএম

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণামূলক কাজের উৎসাহ দানের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আইডিয়া শেয়ারিং এবং প্ল্যানিং বিষয়ক একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বাংলাদেশ সায়েন্স টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স (বিডিএসটিইএম)।

গত সোমবার প্রতিযোগিতায় ভার্চুয়ালি নির্বাচিত ৩৩ টি প্রজেক্ট উপস্থাপন এবং পরিকল্পনা প্রদানকারী দলকে পরিচিতি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, করোনা মহামারির দুঃসময়ে ছেলেমেয়েরা দেশের গঠনমূলক কাজে অংশ নিচ্ছে। তারা মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মতো চিন্তা করছে এটা দেশের জন্য সবচেয়ে কল্যাণকর দিক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিতে চেয়েছিলেন আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে তেমন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা দেখতে পাব বলে আশা রাখি।

প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘তোমরা নিজেদের চিন্তাকে কখনোই সংকুচিত করবে না। যে যেই স্তরেই থাকো না কেন এখনই লক্ষ্য ঠিক করতে হবে এবং সেদিকে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এবং নিজেদের পিতামাতা ও দেশের প্রতি প্রেমকে সব সময় ধারণ করতে হবে।’

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার টেনে তিনি বলেন, একজন উদ্যোক্তা আরও অনেক মানুষের কর্মসংস্থান করতে পারে, এই দিকটাকে জীবনে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গঠনমূলক উদ্যোগ নিতে উৎসাহিতও করেন তিনি।

বিডিএসটিইম জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আল নকীব চৌধুরী বলেন, বিডিএসটিইম উন্নয়নের শিক্ষা, গবেষণা ও স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। শিক্ষার্থীরা যে প্রজেক্টগুলো দিয়েছে সেগুলো সবগুলোই অত্যন্ত সুন্দর এবং অভিনব। যে শিক্ষার্থীরা আজকে নির্বাচিত হয়েছে দেশ তাদের কাছ থেকে অনেক মূল্যবান কিছু পাবে বলে আমি মনে করি।

অনুষ্ঠানে বিডিএসটিএম এর জাতীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল ড. মঈদুস সামাদ খান বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রথমবারের এসটিইম ফেস্ট আয়োজন করা হলো। বারবার এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এ সম্পর্কে জানবে এবং নিজেকে ও দেশকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করতে পারবে।

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (রুয়েট) এর অধ্যাপক ড. মো. তামিম বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ই শুধু নয় বরং স্কুল কলেজগুলোতেও এই বিষয়ে শিক্ষা দিতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

ওয়েবিনারে ভার্চুয়ালি আরও অংশ নেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (রুয়েট) এর সাবেক উপাচার্য রবিউল ইসলাম বেগ।

উল্লেখ্য দেশের ২৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৮ টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। তার মধ্যে ৩৩টি প্রজেক্টকে নির্বাচন করা হয়েছে। এগুলো পুনরায় মূল্যায়নের মাধ্যমে সেরা ৩টি প্রজেক্ট পরিকল্পনা নির্বাচন করা হবে এবং পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা করা হবে বলে বিডিএসটিইএম এর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত