১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২১, ০২:৩৪ এএম

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি আরেক দফা বাড়িয়ে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলমান ছুটি ৩১ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল।

গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়।এদিকে বিশ্বব্যাপী মহামারী প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনার প্রভাব দেশে কমে আসায় এবং টিকা দেওয়ার কারণে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ অক্টোবর থেকে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছ বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অন্য দপ্তরগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে তিনি জানান।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে টিকা নেওয়ার জন্য জোর দিচ্ছে ইউজিসি। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে তার ছাত্রছাত্রীদের টিকা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাহায্য করবে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে ড. কাজী শহীদুল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের টিকাদান সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। ইতিমধ্যে ৯৫ শতাংশ শিক্ষক টিকা গ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীদের একটা অংশও টিকা নিয়েছে এবং রেজিস্ট্রেশন করেছে। বাকি যারা রেজিস্ট্রেশন করেনি তারা কেন করেনি সে সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘টিকা নেওয়ার পরে ১৫ দিনের অবজারবেশন করার কথা বলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাই, আমরা চাই সেপ্টেম্বরের মধ্যে টিকা প্রদান সম্পন্ন করতে। এটি কার্যকর হলে অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলতে পারবে। সব বিশ্ববিদ্যালয় এক সঙ্গে খুলতে পারবে না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে হয়তো কিছুদিন বেশি সময় লাগবে।’

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

গত বছরের ২৭ মার্চ থেকে বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত চালু করা যায়নি। শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইনে চালু হলেও শতভাগ শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করতে পারছে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত