আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে জোড়া বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে দেড় শতাধিক।
বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে ১৩ মার্কিন সেনা রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮ সেনা।
গত ২০১১ সালের পর আফগানিস্তানে এক ঘটনায় সর্বোচ্চ মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনা ঘটেছে এদিন। ওই বছর আগস্টে আফগানিস্তানে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৩০ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন।
ভয়াবহ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
বিবৃতিতে আইএস বলেছে, তাদের একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সঙ্গে থাকা অনুবাদক এবং সহযোগীদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
ভয়াবহ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্প্রতি কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তালেবান কর্তৃপক্ষ।
তালেবান সংস্কৃতি কমিশনের সদস্য আবদুল কাহার বলখি বলেছেন, ‘এটা সন্ত্রাসবাদী হামলা। বিদেশি সেনা উপস্থিতির কারণে এই হামলা হয়েছে। আমরা আর এমন হামলা চাই না। সারা বিশ্বের উচিত এই হামলার নিন্দা জানানো।’
তালেবানের সঙ্গে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির পর আফগানিস্তানে এই প্রথম মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটল।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ওপর হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
তিনি বলেছেন, ‘যারা এই হামলা করেছে, আর যে কেউ আমেরিকার ক্ষতি করতে চায়, তার জানে- আমরা ক্ষমা করবো না, আমরা ভুলে যাবো না।’
হামলাকারীদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমরা তোমাদের খুঁজে বের করবো এবং এর পরিণতি তোমাদের ভোগ করতে হবে।’
