আলোচিত কসাই নাসির হত্যা মামলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিসহ এজাহারনামীয় পলাতক ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আ. আহাদ এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. মোস্তফার ছেলে মো. রিপন (১৯), মো. খোকন (২১) তাদের মা খুকি (৪০), মো. মকবুল ইসলামের ছেলে মো. মোস্তফা (৪২)।
গ্রেপ্তারকৃতদের কোর্টে পাঠানো হয়েছে এবং ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, কোরবানির ঈদে নিহত নাসির আসামিদের সঙ্গে কসাইয়ের কাজ করে। কিন্তু ৬ নং আসামি শামীম কাজের টাকা পরিশোধ না করায় গত বুধবার নাসির তার কাছে প্রাপ্য মজুরি দাবি করে। এ সময় শামীমসহ মামলার ১ নং আসামি মোস্তাক ফকির বাঘার সঙ্গে নাসিরের কথাকাটাকাটি হয়।
এর জের ধরে আসামিরা ওই দিন রাত ১০ টার দিকে দলবদ্ধ হয়ে মুগদার আমির মিয়ার বাড়ির সামনে নাসিরকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। একপর্যায়ে মোস্তাক ফকির বাঘার নির্দেশে মামলার ২ নং আসামি মো. রিপন গরু কাটার ছুরি দিয়ে নাসিরকে হত্যার উদ্দেশে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ পরে নাসিরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। মিটফোর্ড হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করানোর পরামর্শ প্রদান করেন এবং মৌখিকভাবে জানান যে, মিটফোর্ড হাসপাতালে কোন আইসিইউ বেড খালি নাই। এরপর ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন তাকে পান্থপথের ইউনি হেলপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করান। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার নাসির মৃত্যুবরণ করে।
