অ্যাকাডেমি নিয়ে নতুন স্বপ্ন বাফুফের

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৬ এএম

দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর আবারও অ্যাকাডেমি’র যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। সিলেট বিকেএসপিতে মহাসমারোহে শুরু করে হয়নি। এরপর বেরাইদের ফর্টিজ গ্রাউন্ডেও অ্যাকাডেমির স্বপ্ন অপূর্ণ থেকেছে। এবার বাফুফে অ্যাকাডেমি গড়েছে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। আগের দু’বারের চেয়ে এবারের ভিন্নতা নামে। অ্যাকাডেমির আগে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ‘এলিট’ শব্দটি। বাজে অ্যাস্ট্রোটার্ফ, শব্দ, বায়ুদূষণে জর্জর পরিবেশে গড়ে ওঠা অ্যাকাডেমি থেকেই কাজী সালাউদ্দিন খুঁজে পেতে চান আগামীর ফুটবল তারকা।

অ্যাকাডেমি নিয়ে সালাউদ্দিনের স্বপ্ন দেখানো নতুন নয়। ২০০৮ সালে প্রথমবার দায়িত্বে এসেই একটা পূর্ণাঙ্গ অ্যাকাডেমির স্বপ্ন দেখান। ২০১৪ সালে সরকারের কাছ থেকে সিলেট বিকেএসপি নিয়ে ফিফা অর্থ সহায়তায় অ্যাকাডেমির যাত্রা শুরু করলেও সেটার স্থায়িত্ব ছিল মাত্র এক বছর। অর্থ সংকটে ধার-দেনা করে সেই অ্যাকাডেমি চালাতেই রীতিমতো গলদঘর্ম অবস্থা হয়। সিলেটের উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর খানিক বিরতি দিয়ে ২০১৯ সালে ফর্টিজ গ্রুপের সহায়তায় বিদেশি কোচিং স্টাফের অধীনে শুরু হয় অ্যাকাডেমি। কিন্তু সেটিও স্থায়িত্ব পায়নি। বাফুফে এবার আগস্টে শুরু করে অ্যাকাডেমির কর্মকা-। ১৫ বছরের কমবয়সী ৫১ জন ফুটবলারকে তোলা হয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহায়তায় সংস্কার করা কমলাপুর স্টেডিয়ামে। কিন্তু শোকের মাস বলে তখন এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়নি। গতকাল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকে দিয়ে উদ্বোধন করা হলো এলিট অ্যাকাডেমির। এই অ্যাকাডেমি কতদিন টিকবে, তা অবশ্য নিয়ে প্রশ্ন আছে। কারণ অ্যাকাডেমি পরিচালনার অর্থের জোগান নিয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা দেননি বাফুফে সভাপতি সালাউদ্দিন। শুধু বলেছেন, ‘এ নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করছি এবার সমস্যা হবে না।’ মন্ত্রীও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অ্যাকাডেমি পরিচালনায় বাফুফেকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়ার, ‘আশা করি এই অ্যাকাডেমি থেকে ভালোমানের ফুটবলার বের হয়ে আসবে। আমরা বাফুফেকে সবরকম সহায়তা দেব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত