চট্টগ্রামের মানুষ যদি সিআরবিতে কোনো হাসপাতাল না চান, তবে জোর করে চাপিয়ে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
তিনি বলেন, তবে আলোচ্য হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নেবেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন পরিদর্শনে এসে শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছানোর পর রেলমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
সিআরবিতে বেসরকারি উদ্যোগে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করে চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, পত্রপত্রিকায় দেখছি এখানে আন্দোলন হচ্ছে, কিন্তু এতটা করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। প্রধানমন্ত্রী সব সময় জনকল্যাণে কাজ করেন। চট্টগ্রামের মানুষ যদি হাসপাতালের মতো কোনো স্থাপনাও না চান, তাহলে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তবে যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আন্দোলন তা খতিয়ে দেখা দরকার।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে চুক্তি হয়েছে এরপর প্রকল্প তৈরি হয়েছে, যাচাই-বাছাই হয়েছে, তখন কেউ আপত্তি করেনি। এখন বাস্তবায়ন করতে এসে আপত্তি উঠেছে। আপত্তির আগে একটু যাচাই-বাছাই করে দেখুন। কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের কোনো কাজই ভালো লাগে না। এক সময় বিদ্যুৎ নিয়ে আন্দোলন হয়েছে, এখন হচ্ছে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে।
রেলমন্ত্রী বলেন, আমরা মাত্র কয়েক দিন আগে একটা অভিযোগ পেয়েছি। এখানে আমার কাছে, রেলের জিএম, ডিজি, সচিব এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ জানানোর পরও যদি জোর করে কোনো স্থাপনা চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন আন্দোলন করা যায়। এখন অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি খতিয়ে দেখব। তারপরও আমাদের কথাই শেষ নয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বা পরিবর্তনের জন্য আমাদের সর্বোচ্চ অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়েছেন।
রেলমন্ত্রী সুজন আরও বলেন, সরকার এখন পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকে সরকার উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ পলিসি। সিআরবিতে হাসপাতালও এমনই একটি প্রকল্প।
সূত্র: বাসস।
