মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা!

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ০১:০২ এএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভবানীপুর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখার এই লড়াইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের। মমতার কাছে এটি তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখার ভোট। আর বিজেপি প্রার্থীর কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা। সিপিআইএম প্রার্থীর কাছে জামানত বাঁচানোর লড়াই। এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার সকালের দিকেই বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্রের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ নিয়ে টানটান উত্তেজনা শুরু হয়। ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এলাকায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও সব দোকানপাট খোলা বলে অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। এ নিয়ে পুলিশকে সরাসরি প্রশ্ন করেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। তারপরই রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয় এই কেন্দ্রে।

একই দিনে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সমশেরগঞ্জে আরও দুই বিধানসভা আসনে নির্বাচন হলেও পশ্চিমবঙ্গবাসীর সবার নজর ভবানীপুরে। আনন্দবাজার বলছে, বিপুল ভোট পড়ছে শমসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে। সেই তুলনায় ভোটদানের হারে অনেকটা পিছিয়ে ভবানীপুর। ভবানীপুরে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। ভোটগণনা শেষে ৩ অক্টোবর ফল প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। একই জেলার জঙ্গিপুরে দুপুর ৩টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৬ দশমিক ১২ শতাংশ। কলকাতার ভবানীপুরে দুপুর ৩টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৫৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখতে ভবানীপুরের এই উপনির্বাচনে জয়ের বিকল্প নেই মমতার। কারণ গত এপ্রিল-মে মাসে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনের নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন মমতা। ভারতের নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো জনপ্রতিনিধি ভোটে হেরে পদে আসীন হতে গেলে তাকে ছয় মাসের মধ্যে ফের নির্বাচনে জয়ী হতে হয়।

৭২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে ভবানীপুর উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল মদন মিত্র ইচ্ছাকৃতভাবে এই কেন্দ্রে ভোট মেশিন বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আশাবাদী। নিরাপত্তা মোতায়েন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করছি। রাজ্য সরকার এখন ভয়ে আছে।’ তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতা ফিরহাদ হাকিম পাল্টা বলেন, ‘ভবানীপুরে পদ্মশিবিরের কোনো শক্তি না থাকায় এ ধরনের অভিযোগ করছেন।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত