শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ছয় দিন পর সাগর থেকে ফিরলেন বরগুনার ১২ জেলে, এখনো নিখোঁজ ২০

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩২ পিএম

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সাত দিন ধরে নিখোঁজ ৩২ জেলের মধ্যে ১২ জেলে ফিরে এলেও এফবি আব্দুল্লাহ নামের ট্রলারসহ ২০ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ১২ জেলেসহ এফবি মায়ের দোয়া নামের ট্রলারটি পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে পৌঁছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা ট্রলার মালিক সমিতি।

ফিরে আসা এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারটির মালিক ও জেলেদের প্রত্যেকের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। ট্রলারটিতে মোট ১২ জন ছিলেন। মালিকের নাম আবদুর রহমান। এফবি আবদুল্লাহ নামক ট্রলারে ছিলেন ২০ জন। যার মালিকের নাম মো. লিটন মাহমুদ।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাট থেকে অন্যান্য ট্রলারের সঙ্গে মাছ ধরার জন্য সাগরে রওনা করে ট্রলার ২টি। কিন্তু হঠাৎ তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ট্রলার মালিক, মালিক সমিতি ও কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয় এ বিষয়ে। ছয় দিন পরে এফবি মায়ের দোয়া নামক ট্রলারের সন্ধান মেলে। তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বলে জানান।

ট্রলারের বেশির ভাগ জেলেরাই সুস্থ আছেন বলে জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফিরে আসা জেলেরা হচ্ছেন- উপজেলার মঠেরখাল এলাকার নুর মোহাম্মাদ মিস্ত্রির ছেলে শাহজাহান, ছত্তার মোল্লার ছেলে আব্দুর রশিদ, খালেক মিস্ত্রির ছেলে মাসুদ, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আমির হোসেন, আব্দুর রহমানের ছেলে মিরাজ, নুরু মিয়ার ছেলে ছগির, তাফালবাড়ি এলাকার খলিল গোলদারের ছেলে ফারুক, আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস ছত্তার, আব্দুল লতিফের ছেলে নাসির, জ্ঞানপাড়া এলাকার আব্দুল গনির ছেলে খলিল, কুদ্দুসের ছেলে আবুল কালাম ও বড় টেংরা এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে ফুল মিয়া।

অপরদিকে, এফবি আবদুল্লাহ নামের ট্রলারের ২০ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। যাদের মধ্যে খোকন মাঝি, হুমায়ুন, শাহজাহান ও রাসেলের নাম জানা গেছে।

কোস্টগার্ডের পাথরঘাটা স্টেশন কমান্ডার লে. ফাহিম শাহরিয়ার বলেন, তাদের টহল বোট অনুসন্ধান করছে। কোনো খবর পেলে তাৎক্ষণিক জানানো হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত