ফাইজারের দুই ডোজ দেওয়ার পরও কমছে অ্যান্টিবডি: গবেষণা

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৬ পিএম

বুধবার প্রকাশ হওয়া দুটি গবেষণায় জানা যাচ্ছে, ফাইজারের কভিড-১৯ টিকায় প্রতিশ্রুত প্রতিরোধ ক্ষমতা দুই মাস বা তারপরে দ্রুত কমে যায়। তবে গুরুতর রোগ, হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর ঝুঁকির প্রতিরোধ শক্তিশালী থাকে।

সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েল ও কাতারের গবেষণা দুটি প্রকাশ হয়েছে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে। যেখানে বলা হয়, এমনকি পুরো ডোজ সম্পন্ন করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের বিরুদ্ধে পূর্ব-সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

ইসরায়েলের গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ৪ হাজার ৮০০ স্বাস্থ্যকর্মী। তারা ফাইজারের দুটি ডোজই নিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অ্যান্টিবডির মাত্রা দ্রুত কমে যায়। বিশেষ করে ৬৫ বছর বয়সী বা তার চেয়ে বেশি বয়সী ও যারা প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বলতায় ভুগছে তাদের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটছে।

উপসাগরীয় ছোট দেশ কাতারে সবচেয়ে মানুষ টিকা পেয়েছে। দ্বিতীয় গবেষণায় দেশটির টিকা নেওয়া মানুষের সংক্রমণের বিষয়টি ওঠে এসেছে। যেখানে বেশির ভাগই ফাইজার টিকা নিয়েছেন।

ওই গবেষণায় বলা হয়, প্রথম ডোজ দেওয়ার পর প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় ডোজের প্রথম মাসে একদম চূড়ায় পৌঁছে, পরবর্তী মাসগুলোতে ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। চতুর্থ মাসের পর প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া ত্বরান্বিত হয়, যা পরবর্তী মাসে ২০ শতাংশে নেমে যায়। তবে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু ঝুঁকির বিরুদ্ধে ৯০ শতাংশ কার্যকর ছিল ফাইজার টিকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত