মাদক মামলায় চিকিৎসকের ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০২ পিএম

কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার একটি মাদক মামলায় সরকারি টিবি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসাদুজ্জামান ওরফে ফিরোজকে (৪১)  ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকার জরিমানা আদেশ দিয়েছে আদালত।

রবিবার দুপুর ২টায় কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত হলেন- ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর বাহাদুরপুর কারিকর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কুষ্টিয়া সরকারি টিবি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছিলেন। তবে এ মামলার অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই আসামিদের বে-কসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৭টায় মিরপুর উপজেলা জিয়া সড়কে মাদক উদ্ধার অভিযান চলাকালে সড়কের নাহারুল মালিথার মালিকানায় স’মিলের মোটর ঘরের ভেতর তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে ডা. মো. আসাদুজ্জামান ওরফে ফিরোজ, জয়নাল আবেদিন ও নাহারুল ইসলাম গংদের থেকে মোট ১০টি প্যাকেটে দুই হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মিরপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বাবু বাদী হয়ে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে জব্দকৃত ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়। 

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৫ সালে ১৪ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাবু, আদালতে ৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চার্জশিট দাখিল করেন।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, পুলিশের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদনে বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্য শুনানি শেষে তিন আসামির বিরুদ্ধে আনীত মাদক সরবরাহ ও কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ডা. মো. আসাদুজ্জামান ওরফে ফিরোজকে (৪১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডাদেশ দেয়। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুজন আসামি জয়নাল আবেদিন ও নাহারুল ইসলামকে বে-কসুর খালাস দেয় আদালত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত