হিলি বন্দরে অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৪ পিএম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

এ সময়ে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ১১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা, এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৯৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পুনর্নির্ধারণ করায় এমন ঘাটতি দেখা দিয়েছে দাবি করে হিলি স্থল শুল্কস্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, সামনের মাসগুলোতে আমদানি বাড়লে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত ২০২১-২২ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা মোতাবেক অর্থবছরের জুলাই মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬ কোটি ৩৫লাখ টাকা, এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩২কোটি ৭৭লাখ টাকা। আগস্ট মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ কোটি ৯৬লাখ টাকা, এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ২৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ কোটি ৯৩লাখ টাকা, এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বিষয়টি নির্ভর করে পণ্য আমদানি-রপ্তানির ওপর। বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বা রপ্তানি বাড়লে রাজস্ব আহরণ বাড়বে আর পণ্য আমদানি-রপ্তানি কমলে রাজস্ব আহরণ কমবে। এরপরেও প্রথমের দিকে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা কম নির্ধারণ করা থাকলেও পরে তা পুনর্নির্ধারণ  করায় লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। প্রথমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল গত বছরের আদায়ের ওপর। পরে রংপুর কমিশনারেট সারা দেশের মধ্যে রাজস্ব আহরণে প্রথম হওয়ায় পরে আবারও কমিশনারেটের ওপর ৩শ কোটি টাকা বাড়তি লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। বাড়তি সেই লক্ষ্যমাত্রা হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের ওপরেও নির্ধারণ করা হয়।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত