জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি, বাধা দেয়ায় দুই বোনকে মারধর

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫২ পিএম

সাভারে খেয়া পারাপারের সময় সহোদর দুই বোনকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে সেলিম নামে স্থানীয় এক প্রভাশালীর বিরুদ্ধে। শনিবার রাত ৯ টার দিকে সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত দুই তরুণীকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার বিকেলে বিষয়টি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুই তরুণীর চাচা।

ভুক্তভোগী দুই বোনের মধ্য বড় বোন রাজধানীর মিরপুরে একটি কলেজের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং অপরজন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত মো. সেলিম সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের বাকসাত্রা গ্রামের বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, শনিবার রাতে সহোদর দুই বোন রাজধানীর মিরপুর থেকে কেনাকাটা করে সাভারের কাউন্দিয়ায় নিজ বাসায় ফিরছিলেন। রাত সোয়া ৯ টার দিকে তারা কাউন্দিয়া খেয়াঘাটে পৌঁছালে এলাকার প্রভাবশালী সেলিম তাদের গতিরোধ করে বড় বোনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় দুই বোন এর প্রতিবাদ করলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সেলিম।

আরও জানা যায়, বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সেলিম ঘাটে থাকা পারাপারের নৌকা থেকে ছাতা নিয়ে ছোট বোনকে মারধর করতে থাকে। এ সময় বড় বোন বাধা দিলে তাকেও উপর্যুপরি ছাতা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন সেলিম। এ ছাড়া সেলিমের ভাগনে রিপন মারধরের সময় তাকে সহযোগিতা করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দুই তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সেলিম ও তার ভাগনে রিপন চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে বড় বোন জানান, খারাপ ইঙ্গিত নিয়েই ওই ব্যক্তি আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল। প্রতিবাদ করায় আমাদের দুই বোনকেই মারধর করেছে। আমি এখনো হাসপাতালে ভর্তি। পুরো শরীর ব্যথায় নড়াচড়া করতে পারছি না।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, দুই বোনকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত