কক্সবাজারের মহেশখালীতে রুহুল কাদের (৩৫) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ‘ক্রাইমজোন’ খ্যাত কালারমার ছড়া বাজারের পূর্বপাশে ফকির জুম পাড়ায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
রুহুল কাদের কালারমার ছড়া ইউনিয়নের ফকিরজুম পাড়ার মোহাম্মদ আমিনের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্বাসের ভাই।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটতে পারে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে জানিয়েছে তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালারমার ছড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ফকিরজুম পাড়ায় সিএনজি থেকে নেমে রুহুল কাদেরকে দা-কিরিচ দিয়ে প্রথমে কুপিয়ে জখম করার পর গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে কালারমার ছড়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে গেলে অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে চকরিয়া হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পথিমধ্যে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুহুল কাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রহুল কাদের মহেশখালী উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের ভাই কালারমার ছড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্বাস বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা আমার ভাইকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম জানান, কালারমার ছড়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একজনকে হত্যা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
