ত্রিপুরায় হামলার শিকার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেব। বিজেপি শাসিত রাজ্যটিতে এই হামলা বিজেপি করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। শুক্রবার, তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে এই নেত্রীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় প্রচারণায় থাকা তৃণমূলের সাত থেকে আটজন কর্মী, নির্বাচনী পরামর্শক সংস্থা—আইপ্যাকের কর্মীরাও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তৃণমূল। খবর: এনডিটিভি
তবে, তৃণমূলের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে বিজেপি। তারা বলেছে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে হামলার এই ঘটনা ঘটেছে।
২০২৩ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ত্রিপুরায় নতুনভাবে সক্রিয় হয়েছে তৃণমূল। সুস্মিতা দেব দলটির অন্যতম সংগঠক হিসেবে ত্রিপুরায় কাজ করছেন। তিনি কিছুদিন আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।
করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা জানিয়ে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে তৃণমূলকে মাসখানেকের জন্য ত্রিপুরায় প্রচার বন্ধ রাখতে বলেছিল স্থানীয় প্রশাসন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা ও তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে যাওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত হয়ে যায়। তৃণমূল এখন নতুন করে অভিষেকের প্রচারণা নিয়ে পরিকল্পনা করতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে এই লক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় গণসংযোগ শুরু করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
সুস্মিতা দেবী জানান, নির্বাচনী প্রচারের কৌশল নিয়ে শুক্রবার আইপ্যাকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালে হামলা হয়। কেন্দ্রের আধা সামরিক বাহিনীর সামনেই একদল ছেলে প্রকাশ্যে তাদের ওপরে হামলা চালান।
তৃণমূলের অভিযোগ, ত্রিপুরায় প্রায় নিয়মিতই তাদের কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। হামলায় অনেকেই আহত হয়েছেন। এ ছাড়া কর্মীদের বাড়িঘর, দোকানপাটও ভাঙচুর করা হচ্ছে।
গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য শান্তনু সাহাও হামলার শিকার হয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে তৃণমূলের কর্মী শুভঙ্কর দেব ও দুলাল দাস আক্রান্ত হন।
