মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রকাশ্য সভায় তর্ক করা নিয়ে রুমিনের প্রশ্ন

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৭ পিএম

পদত্যাগী তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান একসময় ছাত্রদল নেতা ছিলেন। সোমবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি সভায় এমন দাবি করেন। সেই সভায় এর বিরোধিতা করেন এক যুবদল নেতা। বিএনপির অনেকে ফেসবুকে মির্জা ফখরুলের এ বক্তব্যের সমালোচনা করেন। 

দলের সর্বোচ্চ একজন নেতার সঙ্গে প্রকাশ্যে তর্কে জড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি রুমিন ফারহানা। 

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার রাতে তিনি একটি পোস্ট দেন এ বিষয়ে। 

সেখানে রুমিন লেখেন, 'মুরাদ হাসনের মতো বীভৎস, নোংরা মানুষ এক সময় ছাত্রদল করতেন, এই তথ্যে বিএনপি'র সমস্যা কী? বরং এই তথ্য সামনে আসায় বিএনপি'র লাভ হয়েছে। এই তথ্যের মাধ্যমে মুরাদের চরিত্রের আরেক দিক উন্মোচিত হয়েছে-এই লোক বিশ্রীরকম সুবিধাবাদী আদর্শহীন'।

তিনি লেখেন, '১৯৯৬ সালে বিএনপি ক্ষমতা থেকে চলে যাবার পর তিনি ছাত্রলীগে যোগ দেন এবং সেই মেডিক্যাল কলেজের সভাপতি হন। এরপর তিনি এমপি-মন্ত্রী হয়ে প্রমাণ করলেন এমন পচা লোকদেরই ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ। বিএনপি'র মহাসচিব এই লোক এবং সেই সূত্রে আওয়ামী লীগের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন'।

রুমিন লেখেন, 'হতেই পারে, দলীয় মহাসচিবের এই বক্তব্যের গূঢ় অর্থ কারো কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বোধগম্য হয়ে ওঠেনি। কিন্তু প্রকাশ্যভাবে দলের অন্যতম সর্বোচ্চ পদধারীর সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়া, এমনকি এরপরও সামাজিক মাধ্যমে সেটা নিয়ে অনেকের আলাপ চালিয়ে যাওয়া দলের স্বার্থের কতটুকু পক্ষে?'

তার আরো বক্তব্য, 'বাজারে' প্রতিটি ইস্যু আসার পর আমরাই আলোচনা করি এটার মাধ্যমে সরকার তার জন্য বিব্রতকর অন্য ইস্যু ধামাচাপা দেয়। মুরাদ-ইস্যু সামনে আসার পরও আমরাই বলেছি এটা দেশনেত্রী ম্যাডাম জিয়ার অসুস্থতার আলোচনা ধামাচাপা দেবার জন্য করা হচ্ছে। এখন মুরাদের ছাত্রদলের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে অহেতুক বিতর্ক করে মুরাদ ইস্যুকেও তো চাপা দিচ্ছি আমরা'।

'এখন নিজেদের মধ্যে ন্যূনতম কোন্দল-বিতর্ক কোনো ব্যক্তি নয়, দুর্বল করবে দলকেই-এটা বোঝা খুব স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞানের ব্যাপার, রকেট সায়েন্স নয়'।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত