বহুল আলোচিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলায় দেওয়া আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আবরারের মা রোকেয়া খাতুন এবং ছোট ভাই আবরার ফায়াজ।
বুধবার আদালতের রায় শোনার পরে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাসায় আবরারের মা রোকেয়া খাতুন এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
রোকেয়া খাতুন বলেন, আদালত যে রায় দিয়েছেন আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি সেই সঙ্গে এ রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি করছি।
তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম প্রত্যেক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি। যে ২০ জনকে আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এতে আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। সেই সঙ্গে অমীত সাহার ফাঁসি চাই।’
তিনি আরও বলেন, যেদিন এ রায় কার্যকর হবে সেদিন আমরা ভাববো আমরা বিচার পেয়েছি।’
আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজ বলেন, ‘এখনো আমরা রায় পুরোটা দেখিনি। সেটা পর্যালোচনা করে পরে জানাতে পারবো যে এ রায় নিয়ে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ আমরা নেব।’
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের একটি কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা।
২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আজ দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই এ হত্যা মামলায় ২০ জনকে ফাঁসি এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
