ঝিনাইদহের ফুরসন্দি ইউনিয়নের টিকারী বাজারে চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে নৌকা ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর মোটরসাইকেল এবং নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিপক্ষের মারধরে মাহমুদুল হক পলাশ মুন্সি (৫০) নামে এক ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ করেছে পরিবার।
পরে আজ সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের এসআই তহিদুর রহমান।
বুধবার দিবাগত রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার টিকারী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পলাশ মুন্সি টিকারী গ্রামের লুলু মুন্সির ছেলে। তিনি এবারের নির্বাচনে ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডর’ ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী ছিলেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা জানান, বুধবার রাতে ওই ইউনিয়নের আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ শিকদারের নির্বাচনী প্রচারণার সময় লক্ষীপুর গ্রামে ২ মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এরই প্রতিবাদে পাল্টা রাতেই টিকারী বাজারে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর শহিদুল ইসলাম শিকদারের নির্বাচনী কার্যালয় ও ২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। সেসময় ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী মাহমুদুল হক পলাশকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। সকালে পলাশ নিজ বাড়িতে মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে সকালে নাড়িকেলবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই তৌহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়।
সেখানে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এতে সে আহত হলে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদ শিকদার বলেন, গতকাল রাতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদের সমর্থকরা আমার নির্বাচনী কার্যালয় ও ২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও কয়েকজনকে মারধর করে আহত করে।
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ বলেন, বুধবার রাতে আমার নির্বাচনী প্রচারণার সময় লক্ষীপুর গ্রামে ২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে শহিদ শিকদারের সমর্থ করা।
