সংস্কৃতি অঙ্গনে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৬ পিএম

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনুষ্ঠান হয়। জাতীয় সংগীত ও মুক্তিযুদ্ধের গান পরিবেশন করে বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ। উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন স্পন্দন এর শিল্পীরা।

পরে আলোচনায় অংশ নেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, মফিদুল হক, ফওজিয়া মোসলেম। ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আজহারুল হক আজাদ। সভাপতিত্ব করেন ঝুনা চৌধুরী। সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় বহ্নিশিখা, নৃত্যজন। একক সংগীত পরিবেশন করেন মহাদেব ঘোষ, বিশ্বজিৎ রায়, আরিফ রহমান, শিমুল সাহা, শ্রাবণী গুহ রায়, মহনা দাস, নবনীতা জাইদ চৌধুরী। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন- নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকুলি, অনন্যা লাবনী পুতুল, ইকবাল খোরশেদ, বেলায়েত হোসেন। দলীয় সংগীত পরিবেশন করে- ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, ভিন্নধারা, সমস্বর। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মানজার চৌধুরী সুইট।

ছায়ানট উদ্‌যাপন করেছে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ‘পথভ্রষ্ট হবে না বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে গান, নাচ, আবৃত্তি ও আলোচনা অনুষ্ঠান হয়।

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আট দিনের অনুষ্ঠান সাজিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। বৃহস্পতিবার বিজয় দিবসে এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠান হয়। এদিন বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেয় শিশুদের সংগঠন কল্পরেখা, নৃত্যজন, মৈত্রী শিশুদল, এসওএস শিশুপল্লী, ইউসেপ ইসমাইল স্কুল, খেলাঘর, বধ্যভূমির সন্তানদল, উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। পরে সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের চারণিক অপেরা পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘গঙ্গা থেকে বুড়িগঙ্গা’।

উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করেছে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী। ‘লাখো শহীদের বাংলাদেশ, মুক্তির লড়াই হয়নি শেষ’ স্লোগানকে ধারণ করে কেন্দ্রীয় উদীচী চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঐক্য ন্যাপ এর সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রর কণ্ঠযোদ্ধা মঞ্জুশ্রী দাশগুপ্তা ও উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন। উদীচী কেন্দ্রীয় সংগীত বিভাগ ‘জাতীয় সংগীত’ ও ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ গান পরিবেশন করে। পরে দলীয় এবং একক গান ও নৃত্য পরিবেশন করে তারা। অনুষ্ঠানে সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে উদীচী বাড্ডা শাখা। আবৃত্তি  পরিবেশন করে উদীচী কেন্দ্রীয় আবৃত্তি বিভাগ। কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগ পরিবেশন করে নাটক ‘অজ্ঞাতনামা’। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অমিত রঞ্জন দে, মিজানুর রহমান সুমন ও শিখা সেনগুপ্তা ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে দেশাত্মবোধক ও বাউল সংগীত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আর্ট ক্যাম্প এর আয়োজন করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত