বাপা-বেন বার্ষিক সম্মেলন

পরিবেশ রক্ষায় দ্বৈত নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৭ এএম

পরিবেশ রক্ষায় সরকারের দ্বৈত নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন বাপার সভাপতি ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বলে বিশ্বের কাছে আমরা সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছি। অন্যদিকে নিজেরাই পরিবেশদূষণ করে। পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারকে এ ধরনের দ্বৈত নীতি থেকে বেরিয়ে এসে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।’

গতকাল শুক্রবার জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক বাপা-বেন বার্ষিক সম্মেলন-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি হোক বা অনবায়নযোগ্য জ্বালানি, সেটা এমন জায়গায় করা উচিত হবে না, যাতে অনেক মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করতে পারে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এমন এক জায়গায় করা হয়েছে, যেটা ঘনবসতিপূর্ণ। পাবনার ঈশ্বরদীর সেই জায়গা এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, অনেকেই ঘুরতে যান। অথচ সেটা যে কত বড় ঝুঁকি হিসেবে তৈরি হয়ে আছে, সেটা আমরা অনুধাবন করতে পারছি না।’ তিনি বলেন, জ্বালানি বিষয়ে নীতি প্রণয়নের আগে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের আলোচনা করা দরকার। কারণ, সেই নীতি জনবান্ধব না হলে তার নেতিবাচক প্রভাব ব্যক্তিপর্যায়ে পড়ে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘একদিকে আমরা বিশে^র কাছে হাত পাতছি যে আমরা পরিবেশগতভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছি, আমাদের সাহায্য দিন। আবার আমরা নিজেরাই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছি। আমাদের নিজেদেরও দেখানোর প্রয়োজন আছে, বৈশ্বিক ঝুঁকির জায়গা থেকে আমাদের সংকটের জায়গায় নিজেরাও বৈশ্বিক সংকটের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত