মালদ্বীপের সঙ্গে বন্দী বিনিময় চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।
দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখানে ৩টি বিষয় রয়েছে- মালদ্বীপে যদি কোনো বাংলাদেশি কারাবন্দী থাকে তাহলে মালদ্বীপ বাংলাদেশকে ফেরত নেওয়ার কথা বলতে পারবে। বাংলাদেশও বন্দীদের ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিতে পারবে এবং যিনি বন্দী তিনি নিজেও আবেদন করতে পারবেন।
আনোয়ারুল ইসলাম আরও জানান, মালদ্বীপে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৪৩ জন এবং বিচারাধীন ৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিক আছেন।
এদিন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ চিকিৎসা অ্যাক্রেডিটেশন আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। ফলে উন্নত বিশ্বে চিকিৎসাবিদ্যার স্বীকৃতি অর্জনের পথ সুগম হলো।
এছাড়া, বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়ারও নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে অনুমতি ছাড়া ওষুধ সেবনের পরামর্শ (প্রেসক্রিপশন) দিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে।
