নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে হট্টগ্রোল ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাল্টাপাল্টি তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে শিক্ষকরা।
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ফল ঘোষণার সময় এই অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। প্রাপ্ত ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক পদে সমান ভোট পায় প্রতিদ্বন্দী দুই দলের প্রার্থীরা। এ সময় সাধারণ সম্পাদক কে হবেন এর সুরাহা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনেই হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
এর আগে সন্ধ্যায় প্রার্থী ও ভোটারদের উপস্থিতিতে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। প্রচার সম্পাদক ব্যাতিত ১১ পদের ৯টিতে জয় পায় নোবিপ্রবি নীল দলের প্রার্থীরা। সাধারণ সম্পাদক পদে উভয় দলের প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় ব্যর্থ হয় কমিশন।
নির্দিষ্ট গঠনতন্ত্র না থাকায় এমন পরিস্থিতির সুরাহা দিতে পারেননি বলে কমিশনের ভাষ্য। ঘটনাস্থলে নিজ নিজ দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর বিষয়ে বিভিন্ন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের একপর্যায়ে স্থান ত্যাগ করে হট্টগোলে জড়িয়ে পড়ের শিক্ষকরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, সাধারণ সম্পাদক পদে দুই প্রার্থীর ভোট সমান হয়েছে, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সংবিধানে এই বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো আইন নেই। তাই পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক কীভাবে নির্বাচিত করবে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় গ্রহণ করবে।
স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ থেকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল বাশার বলেন, অপূর্ণাঙ্গ কমিটির কাছে নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারেন না। আমি আশা করছি সুষ্ঠু গণতন্ত্র রক্ষার্থে এই পদে পুনরায় নির্বাচন দিয়ে নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
এ ছাড়া অনিয়ম হটলে আইনের আশ্রয় নেয়ার কথা জানান এ প্রার্থী।
নীল দল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, আমি চেষ্টা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে নিজেকে সংযুক্ত রাখতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও আমার প্রতি আস্থা রেখেছে এ জন্য আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। দুই প্রার্থীর ভোট সমান হওয়ায় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় নির্ধারণ হবে কীভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে আবার নির্বাচন হবে। আমি আশাবাদী পরবর্তী নির্বাচনেও শিক্ষকরা আমার প্রতি আস্থা রাখবে।
