সেনাবাহিনীতে আত্মঘাতী স্কোয়াড নিয়োগ দিচ্ছে তালেবান

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:২৫ পিএম

চার মাস আগে আফগানিস্তানে সরকার গঠনের পর থেকে তালেবানরা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছ থেকে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকির মুখোমুখি হয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে তালেবান আনুষ্ঠানিকভাবে সেনাবাহিনীতে আত্মঘাতী বোমারুদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে কাবুল দখলের আগে ২০ বছরের যুদ্ধে মার্কিন ও আফগান সৈন্যদের আক্রমণ ও পরাজিত করার জন্য আত্মঘাতী বোমা হামলাকে একটি মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তালেবান। তালেবানের ডেপুটি মুখপাত্র বিলাল করিমি বলেছেন, এখন একটি একক ইউনিটের অধীনে কাজ করতে এবং আফগানিস্তানকে রক্ষা করার জন্য সারা দেশে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের বিক্ষিপ্ত স্কোয়াডগুলোকে সংস্কার ও সংগঠিত করতে চায় তালেবান।

তাদের প্রধান লক্ষ্য এখন ইসলামিক স্টেটের স্থানীয় শাখাকে দমন করা, যারা গত আগস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবানদের উপর অন্তত পাঁচটি বড় হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে তারা বেশ কয়েকটি হামলা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়েছে।

করিমি বলেন, ‘শহীদপ্রার্থীদের বিশেষ বাহিনীগুলোকে আরও পরিশীলিত এবং বিশেষ অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা হবে’।

তালেবানরা দেশব্যাপী এবং সীমান্তে ‘প্রতিরক্ষা জোরদার করার জন্য একটি শক্তিশালী এবং সংগঠিত সেনাবাহিনী’ তৈরি করছে, আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা যার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে। প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার যোদ্ধাকে সামরিক বাহিনীতে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানাবে তালেবান।

ইসলামিক স্টেট যোদ্ধারা ক্রমাগত তালেবানের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। যার ফলে আফগানিস্তান আরেকটি যুদ্ধে নামতে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তালেবানরা গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করার পর ২৬ আগস্টেই আইএস সবচেয়ে মারাত্মক হামলাটি চালায়। ওই হামলায় কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন ইউএস মেরিন সেনা সহ প্রায় ২০০ জন নিহত হয়। সেদিন কাবুল বিমান বন্দরে দেশ ছেড়ে পালানোর জন্য মরিয়া হাজার হাজার আফগান নাগরিক মার্কিন ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত