চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্র্তা সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করার ভয় দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ দেওয়ার পর ঘটনার তদন্ত করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে বিষয়টির তদন্ত হয়।
গত ২৮ নভেম্বর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষে বিজয়ী চেয়ারম্যান-মেম্বাররা (সদস্য) গেজেটভুক্ত হওয়ার পর নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুলের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের লিখিত অভিযোগ করেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (সংস্থাপন-১) জিলহাজ উদ্দিন ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান অভিযোগ তদন্ত করেন। তারা অভিযোগকারী প্রার্থীদের লিখিত জবানবন্দি নিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুলের ব্যাংক হিসাব তলব করেন।
গাজীরটেক ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে সদ্যবিজয়ী চেয়ারম্যান আহসানুল হক মামুন লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘প্রার্থিতা বাতিল করাসহ বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে আমাকে দুই দফায় সোয়া দুই লাখ টাকা দিতে বাধ্য করেন নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ অভিযোগ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।
ফরিদপুরের সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, আরও তদন্ত হবে।
