ঢাকার প্রথম পর্বটা মোটেও ভালো কাটেনি মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার। চার ম্যাচের মধ্যে হেরেছিল তিনটিতেই। তবে চট্টগ্রাম পর্বটা মনের মতো কাটল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাদের নিয়ে গড়া দলটার। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে উড়িয়ে বন্দরনগরিতে নিজেদের দুই ম্যাচের দুটিতেই জয় তুলে নিল ঢাকা।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিনের প্রথম ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে কুমিল্লাকে ৫০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা।
১৮২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা ১৭.৩ ওভারে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায়। টানা তিন জয়ের পর আসরে এই প্রথম হারের মুখ দেখল ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বাধীন দল।
আগের ম্যাচে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিতে সিলেট সানরাইজার্সের ১৭৬ রানের লক্ষ্যও খুব সহজেই তাড়া করে জেতে ঢাকা। এদিনও হেসেছে বাঁহাতি ওপেনারের ব্যাট। ৩৫ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৬ রানের ইনিংসে দলকে ভালো ভিত দিয়ে যান তিনি।
সেই মঞ্চে ঝড় তুলে দলকে বড় পুঁজি এনে দেন মাহমুদউল্লাহ। ৪১ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত ৭০ রান করেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে যা তার ক্যারিয়ারসেরা। আগের সেরাও ছিল অপরাজিত ৭০। দারুণ ইনিংসে এদিন ম্যাচসেরাও মাহমুদউল্লাহ।
১২.৫ ওভারে দলীয় ১০০ পূরণ করা ঢাকার ১৬ ওভার শেষে স্কোর ছিল ১৩০/৫। শেষ চার ওভারে ৫১ রান তুলে ৬ উইকেটে ১৮১ রানের সংগ্রহ গড়ে দলটি।
জবাব দিতে নেমে দ্রুতই লিটন দাস ও ফ্যাফ ডু প্লেসিকে হারায় কুমিল্লা। তবে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে দারুণ এক জুটিতে কুমিল্লাকে টানছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। তৃতীয় উইকেটে ৪৪ বলে ৭০ রান যোগ করেন দুজন।
১১তম ওভারে ইমরুল ও জয়ের উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেন ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। এরপর আর কুমিল্লার কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।
জয় ৩০ বলে ৪৬ রান করেন ৮ চারে। ইমরুল ২৩ বলে ২৮ রান করেন। মোস্তাফিজুর রহমানকে (১) নিজের তৃতীয় শিকার বানিয়ে কুমিল্লার ইনিংসের ইতি টানেন রাসেল।
২.৩ ওভারে ১৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন রাসেল। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন কাইস আহমেদ ও এবাদত হোসেন।
এদিনের জয়ের সুবাদে ৬ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়েও শীর্ষেই আছে কুমিল্লা। ঢাকার চেয়ে দুই ম্যাচ কম খেলেছে তারা।
ঢাকার সমান ৬ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
