কক্সবাজারে এক ট্রলারে আড়াই হাজার ইলিশ, ১৫ লাখে বিক্রি

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:৫৪ পিএম

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়াছটা ফিশারিঘাট এলাকায় এক ট্রলারেই আড়াই হাজার ইলিশ শিকার করেছেন জেলেরা।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইলিশবোঝাই একটি ট্রলার ঘাটে ভেড়ে। এরপর মাছগুলো এনে স্তূপ করে রাখা হয় ফিশারিঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে।

সেখানে ব্যবসায়ীরা এসে দামদর শেষে ট্রলারের ২ হাজার ৫০০টি ইলিশ কেনেন তিনজন ব্যবসায়ী। ১৫ লাখ টাকা পেলেন ট্রলারের জেলেরা।

একই সময় ১ হাজার ৫০০টি ইলিশ বিক্রি করে এফবি সেলিম নামে আরেকটি ট্রলারের জেলেরা পেয়েছেন প্রায় ৮ লাখ টাকা।

ট্রলারের মাঝি জানালেন, গভীর সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উপকূলের দিকে ছুটে আসছে। জানুয়ারির শেষের দিকে তারা এক থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত ওজনের ইলিশ পেয়েছেন। তবে এখন ছোট আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশির ভাগ ইলিশের ওজন ৩৫০ থেকে ৫০০ গ্রাম।

আজ সকাল ছয়টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফিশারিঘাটে প্রায় ৫০টি ট্রলার এসেছে। প্রতিটি ট্রলারে প্রচুর ইলিশই।

ফিশারিঘাটে পাইকারি দরে ওজন অনুযায়ী ইলিশ বেচাকেনা হয়। ৩৫০-৪০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৩০০-৩৫০ টাকায়, ৪৫০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৪০০-৪৫০ টাকায়, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫০০-৫৫০ টাকায়, ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৮০০-৯০০ টাকায়। এ ছাড়া এক কেজি বা এর বেশি ওজনের ইলিশ সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শহরের বাহারছড়া, কানাইয়ারবাজার, কালুরদোকান, বড়বাজারসহ অন্য খুচরা বাজারগুলোতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা বেশি দামে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, প্রতিটি ট্রলারে ৪০০ থেকে ৩ হাজার পর্যন্ত ইলিশ ধরা পড়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য মাছও ধরা পড়ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিপুল পরিমাণ ইলিশ চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম খালেকুজ্জামান জানান, শীত মৌসুমে খাদ্যের সন্ধানে গভীর সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উপকূলের দিকে ছুটে আসছে। এ জন্য জেলেরা প্রচুর ইলিশ পাচ্ছেন। বিধিনিষেধ মেনে চলায় বঙ্গোপসাগরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত