ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করছে, তাদের সঙ্গে যুদ্ধের দুদিনেই রাশিয়ার ১,০০০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলেছে, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি রুশ সৈন্য নিহত হয়েছে। রাশিয়া প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কোনো সশস্ত্র সংঘাতেই এত বেশি সৈন্যের প্রাণহানির শিকার হয়নি।
অন্যদিকে রয়টার্স বলেছে, সংঘর্ষে রাশিয়ার প্রায় ২ হাজার ৮০০ সৈন্য নিহত ও ৮০টি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালইয়ার।
স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি। হান্না বলেছেন, রুশ সৈন্যরা আরও ৫১৬টি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ১০টি বিমান এবং সাতটি হেলিকপ্টার হারিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ইউক্রেনে হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। রুশ সৈন্যরা উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়ে, বড় বড় শহর ও সেনা ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যায়। হামলার দ্বিতীয় দিনেই রুশ সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ঢুকে পড়েছে।
শুক্রবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের প্রধান একটি বিমানবন্দর এবং বিমানঘাঁটি দখলে নিয়ে নিয়েছে রাশিয়ান সেনারা। প্রায় ২০০ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে ইউক্রেনের দুই শতাধিক সৈন্যকে হত্যার পর হোসটোমেল নামের ওই বিমান ঘাঁটি দখল নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর আগে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের আন্তোনভ নামের আরেকটি বিমান ঘাঁটিও দখল করে নেয়।
জাতিসংঘ বলেছে, ইউক্রেনজুড়ে বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৫ বেসামরিক নিহত এবং আরও ১০২ জন আহত হয়েছে।
