স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। কারণ তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কোনো দুষ্কৃতকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা বেঁচে থাকতে ক্ষমা করব না।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে ঢাকা পশ্চিম অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দিনব্যাপী মিলনমেলায় এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
তিনি বলেন, বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়পত্র ও সনদ আগামী ২৬ মার্চ থেকে দেয়া শুরু হয়ে ১৭ এপ্রিল শেষ হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কবর সংরক্ষণ করা হবে। একই ডিজাইনে সারা দেশেই সংরক্ষণ করা হবে। মামলার কারণে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন বন্ধ ছিল। এখন মামলা নেই। তাই অচিরেই মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন দিয়ে দেয়া হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন বিধায় দেশের প্রতিটি বাড়িতে আলো জলে, প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, আর কেউ কুপি ঝালায় না। দেশের মানুষ শান্তিতে আছে। দারিদ্র্য দূর হয়েছে। আপনারা যুদ্ধ করেছেন বিধায় শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য সেবাকে দোরগোড়ায় নিতে পেরেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারলাম, খালেদা জিয়া প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা। আমরা জানতে চাই খালেদা জিয়া কার সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন, কোথায় করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করেন। যুদ্ধের সময় খালেদা জিয়া যুদ্ধ করে থাকলে, তাকে স্বীকৃতি দেন, আর মিথ্যা হলে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুরোধ করেন তিনি।
ঢাকা পশ্চিম অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দিনব্যাপী মিলনমেলার উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী বীর প্রতীক গাজী গোলাম দস্তগীর, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান প্রমুখ।
