বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৪৬ বিলিয়ন ডলারে

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২২, ০৫:৪০ এএম

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৪৬ বিলিয়ন (৪ হাজার ৬০০ কোটি) ডলার ছাড়াল। এই পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে ১০ মাসের আমদানি দায় পরিশোধ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে গত বছরের আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা টান পড়ে। ফলে ওই মাসে রিজার্ভ রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালেও এর কিছু দিনের মধ্যে ৪৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। ওই বছরের নভেম্বরে রিজার্ভ আরও কমে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বাড়লেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে তা কমে আবারও ৪৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। ফেব্রুয়ারিতে বিদেশি অর্থছাড় কিছুটা বাড়ায় রিজার্ভ বাড়তে থাকে। চলতি মার্চের ২ তারিখ রিজার্ভ আবার ৪৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়।

জানা গেছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রতি মাসেই আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৩৪৪ কোটি ডলার; যা এর আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগদ করা তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ৪৬৯ কোটি ডলারের ঋণসহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ; যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। এর আগে ৭ মাসে এত বেশি বৈদেশিক ঋণসহায়তা কখনো পায়নি বাংলাদেশ।

আলোচিত সময়ে সবচেয়ে বেশি ১৭৭ কোটি ডলার ছাড় করেছে ম্যানিলাভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এই অঙ্ক বিশ^ব্যাংকের দেওয়া সহায়তার প্রায় চার গুণ। এ সময়ে বিশ^ব্যাংক দিয়েছে ৪৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত